Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
নারী ক্ষমতায় — সমতায় নেই
Wednesday 21 Oct 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

নারী ক্ষমতায় — সমতায় নেই

মীর আব্দুল আলীম
২৭ জানুয়ারি ২০২৪ ১৬:৩১

বাংলাদেশে সব ক্ষেত্রেই নারীর অগ্রযাত্রা এখন বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় নারী ভুমিকা রাখছে। এদেশে নারী রাষ্ট্রিয় ক্ষমতায় এগিয়ে কিন্তু অধিকারে পিছিয়ে। নারীদের ইবিাচক অগ্রগতি আছে। সেই অগ্রগতি এখনো নারীকে পুরোপুরি স্বাধীন করতে পারেনি। নারী এখনো ঘরের মধ্যে বন্দি। বিচার, সহিংসতা, নির্যাতন প্রশ্নে নারী এখনো অবহেলার শিকার। নারীর অর্জন এমন কেন?

সামাজিক সূচকে বাংলাদেশের বিস্ময়কর সাফল্যের পেছনে নারীর অগ্রগতি বড় ভূমিকা রাখলেও নারীর অবস্থা আজও তেমন বদলায়নি। ঘরে বাইরে নারীরা নির্যাতিত হচ্ছে। এক হিসাবে দেখা গেছে, দেশের ৬৫ শতাংশ বিবাহিত নারী স্বামীর মাধ্যমে শারীরিক নির্যাতন ভোগ করেছেন, ৩৫ শতাংশ অন্য কারো দ্বারা যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। বাংলাদেশের একটি বেসরকারী সংস্থার পরিচালিত গবেষণায় বলা হয়েছে, গত তিন বছরে পনের বছরের কম বয়সী কিশোরীরা বেশী যৌন নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এসময়ে কমপক্ষে ৩০ শতাংশ কিশোরী ধর্ষণের শিকার হয়েছেন এবং ৪৩ শতাংশের ওপর ধর্ষণের চেষ্টা হয়েছে এবং ২৭ শতাংশ নারী স্বামী, শ্বশুড় বাড়ির লোকদেও হাতে নির্যাতিত হয়েছেন। নারী নির্যাতনের স্বিকার হয় কিন্তু বিচার হয় না। বিচারহীন সংস্কৃতির কারনে দেশে নারী নির্যাতন বাড়ছে।

বিজ্ঞাপন

দেশে কিন্তু নারী নির্যাতন প্রতিরোধে আইন আছে; প্রয়োগ নেই। রয়েছে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল। হুঙ্কার দেয়া হচ্ছে নারী সমতার। তা সত্ত্বেও বন্ধ হচ্ছে না নারী নির্যাতন, ব্যভিচার, হত্যাকান্ড, ধর্ষণ। বলার অপেক্ষা রাখেনা যে, দেশে এ জাতিয় নারী নির্যাতন এবং যৌন হয়রানীর ঘটনা মাত্রাতিরিক্ত হারে বেড়ে গেছে। নিত্যই ব্যভিচার ও ধর্ষণকামিতার ঘটনা ঘটছে। রোধ হচ্ছে না। নির্যাতিত হচ্ছে স্কুল ছাত্রী, রোগী, শিশু, যুবতী, আয়া, বুয়া, গৃহবধু। কেউ বাদ যাচ্ছে না। নিজ গৃহে, হাসপাতালে, রাস্তা ঘাটে, চলন্ত বাসে, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে, গৃহে ঘটছে এই নির্যাতনের পৈচাশিক ঘটনা। নারী নির্যাতন করছে স্বামী, স্কুল-কলেজের শিক্ষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক, ডাক্তার, কর্মচারি, পুলিশ, আত্মীয়, চাচা-মামা-খালু, দুলাভাই, আমলা এমনকি পীর-মুরশিদরা।

বিজ্ঞাপন

আমরা পুরুষরা প্রায়ই নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে হুঙ্কার ছাড়েন। মঞ্চ সেমিনারে বলেন, নারীরা মায়ের জাতি, নারী নির্যাতন করবেন না। মাইকে গলা ফাঁটিয়ে বক্তৃতা করেন-“বউ পেটানো লোক আমি দু‘চোখে দেখতে পারি না।” এজাতিয় ভদ্রলোকেরা বিচার সালিশে নারী নির্যাতনকারী পুরুষ পেলে বেশ শায়েস্তাও করেন। এ বিষয়ে নসিহত করেন; হাদিস কোরানের আলোকে পরামর্শ দেন-“বউ ঘরের লক্ষী; কখনো বউ পেটাবেন না। আল্লাহ নারাজ হবেন।” কিন্তু নিজ ঘরে ঢুকলেই এদের অনেকেই এক অন্য মানুষ। বউয়ের কাছে এলেই মুখোশ খুলে যায় ওদের। আমাদের সমাজে নেতৃত্বদানকারী এমন পুরুষের সংখ্যা নেহায়েত কম নয়। চারপাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে ভুঁড়ি ভুঁড়ি। কি রাজনৈতিক, কি ডাক্তার, উকিল, জনপ্রতিনিধি, সাংবাদিক কেউ বাদ নেই এ তালিকা থেকে। তারা বিবেক সম্পন্ন উঁচু তলার মানুষ তবুও এ কর্মটি করেন নির্লজ্জভাবে। যারা জনগনকে সচেতন করবেন; নারী নির্যাতনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদী হবেন; তারাই যদি নির্যাতন করেন তাহলে নারী নির্যাতন বন্ধ হবে কি করে? নির্যাতিত নারীরা যেখানে আইনী আশ্রয় খোঁজেন সেখানেও সমস্যা। এ ব্যাপারে একজন পুলিশ কর্মকর্তার প্রসংঙ্গ না আনলেই নয়। তিনি কয়েক মাস আগে নারায়ণগঞ্জের এক থানার ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন। ঐ ওসি সাহেবের স্ত্রীরর দিন কাটতো ওপরওয়ালাকে স্মরণ করে, যেন ঐ দিন নির্যাতনের মাত্রা একটু কম হয় এই আশায়। দোষে দুষ্ট বললে ভুল হবে, বলতে হবে তিনি গুণে গুণান্বিত ওসি! অতি নিরবে বউ পেটাতে পেটাতে তথাকথিত নারী নির্যাতন বিরোধী এই ওসির একদিন থলের বিড়াল বের হয়ে গেল। এক রাতে থানার নিজ কক্ষে ওসি সাহেবর বউ পেটানো আসামীকে নিজের হাতে ডান্ডা মেরে বাসায় ফিরেন। সেদিন একটু বেশীই রাগেন তিনি। নিজের পশু চরিত্রও সামাল দিতে পারেননি। সেরাতে ঐ মহান ওসি নিজেই তাঁর প্রথম স্ত্রীকে শুধু পিটাননি সন্তানসহ ঘর থেকেই বের করে দেন। তার অধিনস্থদের সামনেই থানা কম্পাউন্ডে ঘটে এসব। পরদিন নারীবাদী এই ওসির বউ পেটানো মুখোশ থানার বাউন্ডারী পেরিয়ে জনসমক্ষে ফাঁস হয়ে যায়। এই হচ্ছে আমাদের সমাজের নারী নির্যাতনের নমুনা।

২০২৪ সালে এসেও নারীর এ অবস্থা কেন? নারীরাতো শুধু পেশাগত কাজেই যুক্ত হচ্ছেন না, তারা রাজনীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও আসীন হচ্ছেন। বাংলাদেশের নারীরা বিমান চালাচ্ছেন। যোগ দিচ্ছেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীতেও। এমনকি ঝুঁঁকিপূর্ণ এবং কায়িক পরিশ্রমের পেশায়ও আসছেন তারা। তবে নারী তাঁর অধিকার বঞ্চিত কেন? নারী নির্যাতিত কেন? এদেশের নারীরা শুধু পেশাগত কাজেই যুক্ত হচ্ছেন না, তারা রাজনীতি এবং সিদ্ধান্ত গ্রহণের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদেও আসীন হচ্ছেন। বাংলাদেশের নারীরা বিমান চালাচ্ছেন। যোগ দিচ্ছেন সেনাবাহিনী ও পুলিশ বাহিনীতেও। এমনকি ঝুঁঁকিপূর্ণ এবং কায়িক পরিশ্রমের পেশায়ও আসছেন তাঁরা। ‘বাংলাদেশে নারীদের ইবিাচক অগ্রগতি আছে। কিন্ত সেই অগ্রগতি এখনো নারীকে পুরোপুরি স্বাধীন করতে পারেনি। নারী এখনো এখানে ঘরের মধ্যে বন্দি। বিচার, সহিংসতা, নির্যাতন প্রশ্নে নারী এখনো অবহেলার শিকার। প্রশ্ন একটাই কেন?

আমরা চাই নারীর উপর এ নির্যাতন বন্ধ হউক। নারীরা মায়ের, স্ত্রীর মর্যাদা ফিরে পাক। আমি কাউকে অনুরোধ করবো না যে, ভেবে দেখুন। কাউকে বলবো না যে, সচেতন হোন। কাউকে অনুনয়-বিনয় করে বলবো না- নারী নির্যাতন করবেন না, বউ পেটাবেন না। কিছুই বলবো না আমি। মানুষ যে, সে শুধু বুঝে নেবেন। আর যে নয়- তাকে বুঝালেও কোন কাজ হবে না জানি। তবে যারা মানুষ নন- সেই ঘৃণ্য প্রজাতিদের সমাজ থেকে বের করার ব্যবস্থা নিতে হবে। এমনকি আমি নিজেও যদি সেই রোগে আক্রান্ত হই। ক্ষমা যেন আমারও না হয়। সমচিন বিচার যেন আমারও হয়। আমি নারীকে তুলসী পাতা হিসেবে দেখছি না। নারীরাও অনেক দোষ করেন। তাই বলে পেটাতে হবে কেন? একজন স্বামী হিসেবে আপনিও তো স্ত্রীর কাছে দোষ করতে পারেন- তাই বলে কি তিনি (স্ত্রী) আপনাকে পেটাতে আসছেন? সংসার করছেন- পরস্পরকে ভাল করে বুঝে সংসার করেন। স্বামী-স্ত্রীতে মতের মিল না হলে আলোচনা করেন, প্রয়োজন হলে দুপক্ষের মুরুব্বীদের নিয়ে বসে এর সুরাহা করেন। তার পরেও সমাধান না হলে- কি আর করা, বউ পেটানো প্রথাকে বিলুপ্ত করে দিয়ে সমমঝোতার মাধ্যমে দুজন আলাদা হয়ে যান।

বাইরের চেয়ে ঘরেই বেশি নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন নারীরা। এদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ নারীই নির্যাতনের শিকার হচ্ছেন তাদের স্বামীদের হাতে। গেল বছর ২০১৩ সালে ৪ হাজার ৭৭৭ জন নারী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। এদের মধ্যে এক হাজার ৩৮৭ জন নারী হত্যার (আত্মহত্যা ও রহস্যজনক মৃত্যু) শিকার হয়েছেন বলে জানিয়েছে স্টেপস। জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক আলোচনা সভায় এ তথ্য জানায় স্টেপস টুয়ার্ডস ডেভেলপমেন্ট (স্টেপস) নামের একটি সংগঠন। ‘নারীর মানবাধিকার-২০১৩’ প্রতিবেদন উপস্থাপন ও আলোচনা সভার আয়োজন করে ওই সংগঠনটি। প্রতিবেদনে বলা হয়, নারীরা ঘরেই বেশি নির্যাতনের শিকার হয়ে থাকেন। এদের মধ্যে ৮৭ শতাংশ বিবাহিত নারী স্বামী হাতে নির্যাতিত ও এক-তৃতীয়াংশ বৈবাহিত ধর্ষণের শিকার হন। প্রতিবেদনে বলা হয়, গেল বছর ৪ হাজার ৭৭৭ জনের মধ্যে ১ হাজার ৩৮৭ জন নারী আত্মহত্যা ও রহস্যজনক মৃত্যু, ৮১২ জন ধর্ষণ, ৮৭ জন হত্যা, ৭০৩ জন যৌতুক ও পারিবারিক সহিংসতার শিকার, ৪৪ জন এসিডদগ্ধ ও ৭৮ জন গৃহকর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন।

কোথাও আজ নারীরা নিরাপদ নয়। যৌতুকের জন্য স্বামী, শ্বশুড় বাড়ির লোকজনের নির্যাতন, পথে ঘাটে যৌন হয়রানি, ধর্ষণের পর খুন হচ্ছে নারী। এ ক্ষেত্রে থাকছে না বয়স, স্থান, কাল, পাত্রের ভেদ। দেশব্যাপী শুরু হয়েছে ব্যভিচারের চূড়ান্ত প্রকাশ্য ধর্ষণকামিতা। রাত-বিরাতে নয় শুধু, দিনদুপুরে প্রকাশ্য ধষর্ণের ঘটনাও ঘটছে। শুধু ধর্ষণই নয়, রীতিমতো গণধর্ষণ হচ্ছে। অপসংস্কৃতি আর ভিনদেশী সংস্কিৃতির আগ্রাসন আমাদের সমাজকে কতটা ক্ষতবিক্ষত করছে তা হালআমলের ধর্ষণের চিত্র দেখলেই বেশ টের পাওয়া যায়। বাসের ভেতরে ধর্ষিত হচ্ছে মেয়েরা, শিক্ষাঙ্গনে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে শিক্ষার্থীরা, এমপির কথিত এপিএসর দ্বারাও এদেশে ধর্ষিত হচ্ছে যুবতী। এই হলো বাস্তবতা। তবে এটি নতুন কোন বিষয় তা নয়; বলা যায় আমাদের সমাজ বাস্তবতার এক করুন চিত্র। কছু মানুষরূপী নরপশু সভ্যতার ভাবধারাকে পাল্টে দিতে হাযেনার নখ মেলে বসেছে। অপরাধের সাজা না হলে এ জাতিয় অপরাধ বাড়ছে। নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে হবে। তবেই নারী নির্যাতন কমবে।

নারীর প্রতি অবিচার, নির্যাতন, যৌন-ব্যভিচার সর্বযুগে, সর্বধর্মমতে নিন্দনীয় নিকৃষ্ট পাপাচার। ধর্ষণ এবং ধর্ষণের পর হত্যার চূড়ান্ত শাস্তিবিধান মৃত্যুদন্ড। অন্যায়ভাবে কাউকে হত্যা করা হলে এবং সাক্ষ্য-প্রমাণে নিশ্চিত হলে হত্যাকারীর শাস্তিও মৃত্যুদন্ড। কিন্তু আমাদেও দেশে এ যাবৎ যতগুলো ধর্ষণ ও ধর্ষণজনিত হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়েছে, তার যথাযথ বিচার সম্পন্ন হযয়েছে এরূপ নজির কমই আছে। আলোচিত নারী নির্যাতনের ঘটনাগুলেঅ চাপা পওে যায় এক সময়। হয় চুড়ান্ত রিপোর্টে ঘপলা নয়তো স্বাক্ষপ্রমানে প্রভাবিত করে অপরাধি পার পেয়ে যাচ্ছে ঠিকই। উপরন্তু এর বিচার চাইতে গিয়ে বিচারপ্রার্থীরা নির্বিচারে পাল্টা হত্যার হুমকি কখনো কখনো হত্যার শ্বিকার ও হয়রানির শিকার হন। এ অবস্থা থেকে আমাদের অবশ্যই বেরিয়ে আসতে হবে।

যৌন নির্যাতন বন্ধে আগে মানুষিকতা বদলাতে হবে। নারী দেখলেই কেন ধর্ষণ করতে হবে? সব দোষ নারীর? সব দোষ পাশাকের? এমন মানোষিকতা কেন আমাদের। ধর্মে নারীকে পর্দা করতে বললেও পুরুষদেরও চোখ অবনত রাখতে বলা বয়েছে। তবে শুধু নারীর দোষ কেন? নারীর রুপ যৌবন পুরুষকে মোহিত করবে সেটাই স্বাভাবিক। তাই বলে তার উপর পশুর মতো ঝাপিয়ে হতে হবে কেন? ধর্ষণ কমাতে হলে আগে পুরুষের মাঝে মানুবিক গুণাবলী জাগ্রত করতে হবে। ধর্ষণ রোধে আমাদের সচেতন হতে হবে। অবাধ মেশামেশার সুযোগ, লোভ-লালসা-নেশা, উচ্চাভিলাষ, পর্নো সংস্কৃতির নামে অশ্লীল নাচ-গান, যৌন সুড়সুড়িমূলক বই-ম্যাগাজিন, অশ্লীল নাটক-সিনেমা ইত্যাদি কামোত্তেজনা মানুষকে প্রবলভাবে ব্যভিচারে প্ররোচিত কওে তা বর্জন করতে হবে। নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। সময় মত বিয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। ধর্মীয় শিক্ষা ও যৌন শিক্ষার গ্রহন করতে হবে। বাজে সঙ্গ ও নেশা বর্জন করতে হবে। পাশাপাশি নারীকেও শালিন হতে হবে। যৌন উত্তেজক পোষাক বর্জন করতে হবে।

নির্যাতনের ভয়াবহতা থেকে নারীকে বাঁচানোর উপায় কি? কেবল আইনের কঠের প্রয়োগেই কাজ হবে না। এর জন্য প্রয়োজন জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে যার যার পারিবারিক বলয়ে ধর্মানুশীলনে একনিষ্ঠতা, পোশাকের শালীনতা, অশ্লীল সংস্কৃতিচর্চার পরিবর্তে শিক্ষণীয় বিনোদনমূলক ও শালীন সংস্কৃতি চর্চার প্রচলন নিশ্চিতকরণ। আর এটা করতে হলে কেবল রাজনৈতিক বক্তৃতা, আইনের শাসন প্রয়োগ বা ফতোয়া দিলেই চলবে না, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ যার যার অবস্থানে থেকে স্কুল-কলেজ মাদরাসা-মক্তব-মসজিদ-মন্দির-গির্জা-প্যাগোডার নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিরা সমাজের অন্য বুদ্ধিজীবী ও পেশাজীবীদের সমন্বয়ে উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। সর্বোপরি কঠের শাস্তির বিধান ও প্রয়োগ নিশ্চত করতে হবে। নারীকে মর্যাদার আসনে বসাতে হবে। পর নারীকে কখনো স্ত্রী, মা, কখনো বোন , কখনোবা মেয়ে ভাবতে হবে। তাদের উপর ললুপ দৃষ্টি নয়; মায়ামমতার দৃষ্টি দিতে হবে। তবেই নারী নির্যাতন, ধর্ষণ কমে আসবে।

লেখক: সাংবাদিক, সমাজ গবেষক, মহাসচিব-কলামিস্ট ফোরাম অফ বাংলাদেশ

সারাবাংলা/এসবিডিই

নারী ক্ষমতায় — সমতায় নেই মীর আব্দুল আলীম মুক্তমত

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর