Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ট্রাম্পের বিচার হবে কি না— যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বিভক্ত
Saturday 02 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ট্রাম্পের বিচার হবে কি না— যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট বিভক্ত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
২৬ এপ্রিল ২০২৪ ১২:১৭

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বিচার থেকে দায়মুক্তি পাবেন কি না, তা নিয়ে স্থির সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারেননি দেশটির সুপ্রিম কোর্ট। ট্রাম্প বিচার থেকে দায়মুক্তি পাবেন কি না কিংবা দায়মুক্তি পেলেও তার ধরন প্রকৃতপক্ষে কী হবে— প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে পর্যালোচনা করে এ নিয়ে বিভক্তি দূর হয়নি।

বৃহস্পতিবার (২৫ এপ্রিল) যুক্তরাষ্ট্রের সুপ্রিম কোর্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই বিচার নিয়ে পর্যালোচনায় বসে। ২০২০ সালের নির্বাচন নস্যাৎ করার যে অভিযোগ সাবেক এই মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিরুদ্ধে আছে, ওই অভিযোগে ট্রাম্প বিচারের মুখোমুখি হবেন কি না— সেটি নির্ভর করছে সুপ্রিম কোর্টের এই পর্যালোচনার ওপর।

বিজ্ঞাপন

সিদ্ধান্ত যাই হোক, সুপ্রিম কোর্টের বিচারদের প্রত্যেকেই ইঙ্গিত দিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত যুক্তরাষ্ট্রের আগামী দিনের গণতন্ত্রের নতুন রূপ দেবে। বিচারক নেইল গরশুচ যেমন বলেন, ‘আমরা একটি যুগের জন্য রায় লিখছি।’

বিবিসির খবরে বলা হয়, আদালতের নির্ধারিত যুক্তিতর্কের একদিন পর বিশেষ সেশনে মামলাটির শুনানি হয়েছে বৃহস্পতিবার। ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায় তিনি যেকোনো ফৌজদারি অভিযোগ থেকে দায়মুক্তি থাকার যোগ্য। তার এই দাবির ওপর ভিত্তি করেই চলছে শুনানি।

এর আগে মার্কিন স্পেশাল কাউন্সেল জ্যাক স্মিথ অভিযোগ করেছিলেন, ট্রাম্প ২০২০ সালের নির্বাচন নস্যাতের চেষ্টা করেছেন। এখন ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী তিনি দায়মুক্তি পেলে ভোট নস্যাতের চেষ্টার গুরুতর অভিযোগের বিচারের মুখোমুখি তাকে হতে হবে না। আর বিচারকরা যদি একমত হন যে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্তব্যরত থাকা অবস্থায়তেও এ ধরনের অভিযোগ থেকে দায়মুক্তির সুযোগ নেই, তাহলে বিচারের মুখোমুখি ট্রাম্পকে হতেই হবে।

বিজ্ঞাপন

মার্কিন সুপ্রিম কোর্টের এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগ পর্যন্ত ওই অভিযোগে ট্রাম্পের বিচার কার্যক্রম স্থগিত থাকবে। আশা করা হচ্ছে, আগামী জুন নাগাদ দায়মুক্তির বিষয়টির নিষ্পত্তি হবে।

প্রেসিডেন্টের দায়মুক্তির বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের বিচারকরা যে প্রশ্ন তুলেছেন, তাতে তাদের মধ্যে বিভক্তির ইঙ্গিতই মিলেছে। ধারণা করা হচ্ছে, এ বিষয়ে সিদ্ধান্তও আসতে পারে বিভক্ত হয়ে। সেক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট হিসেবে কর্তব্যরত থাকার সময় ফৌজদারি অপরাধে আংশিক দায়মুক্তির বিধান আসতে পারে। তবে বিচারকরা সবাই যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসের দিকে চোখ রেখেই সিদ্ধান্ত নিতে চান।

বিচারকরা প্রশ্ন তুলেছেন, প্রেসিডেন্টকে যদি সব ধরনের ফৌজদারি অপরাধ থেকে সম্পূর্ণরূপে দায়মুক্তি দেওয়া হয়, তাহলে তিনি কি সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করে তার প্রতিদ্বন্দ্বীকেও মেরে ফেলতে পারেন? সেক্ষেত্রেও তিনি দায়মুক্তি পাবেন? কিংবা এই দায়মুক্তি না থাকলে প্রেসিডেন্ট মেয়াদ শেষে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে কি তিনি বিচারের মুখোমুখি হবেন বা কারাগারে যাবেন?

ষাটের দশকে প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের ওয়াটেরগেট কেলেঙ্কারি ও জন এফ কেনেডির অপারেশন মনগুজের (ফিডেল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে গোয়েন্দা অভিযান) উদাহরণও এ ক্ষেত্রে আলোচনায় এসেছে। ডানপন্থি রক্ষণশীলরা বলছেন, সাবেক প্রেসিডেন্টদেরও কিছুটা দায়মুক্তি থাকা উচিত।

এ মামলায় ট্রাম্পের আইনজীবী ডিন জন সাউয়ের যুক্তিতর্কে বলেছেন, একজন সাবেক প্রেসিডেন্ট বিচার প্রক্রিয়া থেকে ‘প্রায় সুরক্ষিত’। এই সুরক্ষার বিষয়টি ধরে ৯ জন বিচারক তাকে জেরা করেছেন। তিন উদারপন্থি বিচারকের একজন এলেনা কাগান প্রশ্ন করেছেন, ‘প্রেসিডেন্ট যদি সামরিক বাহিনীকে অভ্যুত্থান ঘটাতে বলেন, তাহলে কী হবে?’

এ প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়ে জন সাউয়েরকেও দ্বিধান্বিত দেখা গেছে। তিনি বলেছেন ‘পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে’। বিচারপতি কাগান উত্তরে বলেছেন, ‘এটি খুব একটা ভালো শোনাচ্ছে না, তাই নয় কি?’

উদারপন্থি হিসেবে পরিচিত বিচারপতি কেতানজি ব্রাউন জ্যাকসনও উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, সাবেক প্রেসিডেন্টরা পুরো ফৌজদারি বিচার প্রক্রিয়ার বাইরে থাকলে তারা তো আইন নাও মানতে পারেন। আমি বোঝার চেষ্টা করছি যে ওভাল অফিসকে (প্রেসিডেন্টের অফিস) অপরাধের আসনে পরিণত করাকে কীভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়।

রক্ষণশীল বিচারকরাও সাউয়েরের কাছে জানতে চান, প্রেসিডেন্টের কাজ ও প্রেসিডেন্টের পদে দায়িত্বরত ব্যক্তির ব্যক্তিগত কাজের অংশ হিসেবে করা ‘অফিসিয়াল অ্যাক্ট বা সরকারি কাজ’ বলতে কী বোঝায়। রক্ষণশীল বিচারক স্যামুয়েল আলিতে জানতে চান, ‘দায়মুক্তির যে বিশাল আওতার কথা আপনি বলছে, সেটা প্রয়োজনীয় কি না?’

যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রতিনিধি মাইকেল দ্রিবেনও একই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছেন। কারণ বিচারকরা এটিও চিন্তা করেছেন যে কিছুটা সুরক্ষা না থাকলে মেয়াদ শেষ করা প্রেসিডেন্টের কী অবস্থা হবে। বিদেশের মাটিতে সহিংস হামলার নির্দেশ যদি কোনো প্রেসিডেন্ট দেন, তাহলে কী হবে? বিচারপতি ক্লেয়ারেন্স থমাস প্রশ্ন রাখেন, ‘এ ধরনের ঘটনায় পরে কি তার বিচার করা যাবে?’

মাইকেল দ্রিবেন জানান, নিজের কাজের জন্য ফৌজদারি দায় থেকে সুরক্ষা পাওয়ার কয়েকটি স্তর কার্যকর আছে, যার আওতায় বিদেশের মাটিতে সংঘটিত কার্যক্রমও রয়েছে।

বিচারক আলিতো আরেকটি সম্ভাব্য পরিণাম নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, প্রেসিডেন্ট মেয়াদ শেষে অফিস ছাড়ার পর উত্তরসূরীদের মাধ্যমে দলীয় হামলারও শিকার হতে পারেন। এটা প্রেসিডেন্সিকেও ধ্বংস করতে পারে। রক্ষণশীল বিচারকরা অবশ্য একই অবস্থান ব্যক্ত করেননি।

বিচারপতি এমি কোনে ব্যারেটকে নিয়োগ দিয়েছিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। প্রেসিডেন্ট পূর্ণ দায়মুক্তি পাওয়ার অধিকারী কি না, তা নিয়ে তাকেও কিছুটা দ্বিধাগ্রস্ত মনে হয়েছে।

দ্রিবেন বলেন, প্রেসিডেন্টের দোষ-ত্রুটি মোকাবিলায় এখানে সম্পূর্ণ প্রশ্নমুক্ত কোনো পদ্ধতি নেই। জাস্টিস ব্যারেট বলেছেন, এ বিষয়ে তিনিও একমত।

তবে ট্রাম্পের আইনজীবী স্পেশাল কাউন্সেলে পক্ষে পুরোপুরি না যাওয়া কোনো বিভক্ত রায় বা নির্দেশনা এই প্রশ্ন কিংবা এর অংশ বিশেষের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য নিম্ন আদালতে পাঠাতে পারে। তখন এই আইনি লড়াই নিশ্চিতভাবেই বিলম্বিত হবে এবং আপিলে যাবে। অর্থাৎ এই আইনি লড়াই কয়েক বছর না হলেও কয়েক মাস ধরে চলবে।

সারাবাংলা/টিআর

টপ নিউজ ডোনাল্ড ট্রাম্প দায়মুক্তি মার্কিন প্রেসিডেন্ট মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর