Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
ভারতকে রেল ট্রানজিট দিলে ক্ষতি কী, জানতে চান প্রধানমন্ত্রী
Saturday 02 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ভারতকে রেল ট্রানজিট দিলে ক্ষতি কী, জানতে চান প্রধানমন্ত্রী

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট
২৫ জুন ২০২৪ ১৮:২৬

ঢাকা: সমালোচনাকারীদের প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ভারতকে আমাদের দেশের মধ্যে রেল ট্রানজিট দিলে ক্ষতিটা কী? রেল যেগুলো বন্ধ ছিল তা আমরা আস্তে আস্তে খুলে দিয়েছি। এতে আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য সহজ হচ্ছে। ওই অঞ্চলের মানুষ উপকৃত হচ্ছে, তাদের উৎপাদিত পণ্য বিক্রি হচ্ছে। যে সমস্ত জিনিস আমাদের দেশে নেই তা আনার সুযোগ হচ্ছে। অর্থনীতিতে সুবিধা হচ্ছে। আমরা কি চারদিকে দরজা বন্ধ করে বসে থাকব? সেটি হয় না।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৫ জুন) সকালে গণভবনে ভারতে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফর নিয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। প্রথমে ভারত সফর নিয়ে লিখিত বক্তব্য তুলে ধরে পরে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন তিনি।

ভারতকে রেলপথে ট্রানজিট সুবিধা দেওয়া নিয়ে সমালোচনার জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘শেখ হাসিনা এ দেশকে বিক্রি করে না। কারণ আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি। যারা বিক্রির কথা বলে তারা একাত্তর সালে পাকিস্তানের দালালি করেছিল। ইউরোপের দিকে তাকান সেখানে কোনো বর্ডারই নেই, কিছুই নেই। তাহলে একটা দেশ আরেকটা দেশের কাছে বিক্রি করে দিয়েছে? একসময় সেখানে নোম্যানস ল্যান্ড ছিল। এখন কিন্তু কিছু নেই। এখন সে সব উঠে গেছে। কাউকে বাদ দিয়ে নয়, সব দেশ স্বাধীন দেশ। কোনও দেশ কারও কাছে বিক্রি করেনি। দক্ষিণ এশিয়ায় কেন বাধা দিয়ে রাখব? দেশের মানুষের কথা চিন্তা করতে হবে, তাদের ভাগ্য পরিবর্তন সব থেকে বেশি প্রয়োজন।’

সমালোচনার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রেল যোগাযোগ চালুর সমালোচনা হচ্ছে কেন? বলা হচ্ছে ভারতের কাছে বাংলাদেশের বিক্রির ষড়যন্ত্র চলছে। যারা অপপ্রচার চালায় তাদের মুখরোচক গল্প।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমার একটা প্রশ্ন আছে? বিক্রির ওজনটা কীভাবে করা হয়েছে? কোনো কিছু বিক্রি হলে তো ওজন মেপে হয় না? এখন তো ইলেকট্রনিক মেশিন আছে। আগে দাঁড়িপাল্লায় মাপা হতো। তো কিসে মেপে বিক্রি হচ্ছে? আর বিক্রিটা হয় কীভাবে? বাংলাদেশ স্বাধীন দেশ। মুক্তিযুদ্ধ করে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করেছি। যাদের সমালোচনা করে তাদের জানা উচিত একটি মাত্র মিত্রশক্তি যারা আমাদের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে নিজেদের রক্ত ঢেলে এই দেশ স্বাধীন করে দিয়েছে। আমাদের মুক্তিযোদ্ধারা সেখানে প্রশিক্ষণ পেয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

শেখ হাসিনা বলেন, ‘পৃথিবীর যেখানে মিত্র শক্তি হিসেবে সাহায্য করেছে তারা কিন্তু সেই দেশ থেকে ফেরত যায়নি। এখনও জাপানে আমেরিকান সৈন্য, জার্মানিতে রাশিয়ান সৈন্য, এরকম বিভিন্ন দেশ দেখলে দৃষ্টান্ত পাওয়া যাবে। এখানে ভারত ব্যতিক্রম। তারা মিত্রশক্তি হিসেবে আমাদের সঙ্গে যুদ্ধ করে এসেছে। যখনই জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব চেয়েছেন তারা বিদেশে ফেরত যান, তাদের প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়েছেন। ফেরত নিয়ে গেছেন, যুদ্ধের সরঞ্জাম নিয়ে। তাদের কাছে পাকিস্তান হানাদার বাহিনী আত্মসমর্পণ করে। আমরা কিন্তু স্বাধীন, সার্বভৌম রাষ্ট্র পেয়েছি। ভারত কিন্তু সেনাবাহিনী প্রত্যাহার করেছে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘এরপরে যারা বলে বিক্রি হয়ে যাবে। তাতে বিক্রিটা হয় কীভাবে? যারা এটা বলে তাদের মাথাই ভারতের কাছে বিক্রি করা। সামরিক শাসক জিয়া, এরশাদ ও খালেদা জিয়া ওপর দিয়ে ভারতবিরোধী কথা বলেছিল, আর ভেতর দিয়ে তাদের পা ধরে বসে ছিল। এগুলো আমাদের নিজের দেখা ও জানা। তাই দেশ বিক্রির কোনো অর্থ হয় না।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘আমাদের স্বাধীন, সার্বভৌম দেশ। যত ছোট হোক এটা আমাদের সার্বভৌম দেশ। সেই সার্বভৌম রক্ষা ও স্বকীয়তা বজায় রেখে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রেখে কাজ করছি। এই যে আমরা সমস্ত যোগাযোগ ব্যবস্থা খুলে দিলাম, তাতে সবচেয়ে বেশি লাভবান আমাদের দেশের মানুষ। তারা চিকিৎসা, পড়াশোনার জন্যই যায় বা অন্যান্য কাজে যায়, হাটবাজার করতে যায়, আজমির শরিফে যায়, আবার বিভিন্ন জায়গায় যায়। আমাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের ক্ষেত্রতো আরও উন্মুক্ত হবে। কাজে বিক্রি আমরা করি না। যারা বিক্রির কথা বলে তারা বেচার জন্য অথবা ‘ব্যবহার করুন আমাকে’ এ কথা নিয়ে বসে থাকে। শেখ হাসিনা এ দেশকে বিক্রি করে না। কারণ আমরা এ দেশ স্বাধীন করেছি।’ যারা বিক্রির কথা বলে তারা একাত্তর সালে পাকিস্তানের দালালি করেছিল বলেও মনে করেন তিনি।

সারাবাংলা/এনআর/একে

আওয়ামী লীগ ট্রানজিট প্রধানমন্ত্রী ভারত ভারত সফর রেল ট্রানজিট শেখ হাসিনা

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর