Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
উপজেলা নির্বাচনে কৌশলে অংশ নেবে বিএনপি!
Friday 09 Oct 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

উপজেলা নির্বাচনে কৌশলে অংশ নেবে বিএনপি!

আসাদ জামান, স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৩ জানুয়ারি ২০২৪ ২২:৪৭

ঢাকা: ১০ বছরের মধ্যে দুই (২০১৪ ও ২০২৪) জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে রাজনীতিতে একেবারে কোণঠাসা হয়ে পড়া বিএনপি এবার সরাসরি না হলেও ‘কৌশলে’ উপজেলা নির্বাচনে অংশ নেবে। এ ব্যাপারে বিএনপিতে দুই ধরনের মত থাকলেও নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষের মতটাই বেশি ভারী।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরপরই উপজেলা নির্বাচনের (প্রথম ধাপ) তফসিল ঘোষণার খবরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে ভোটে অংশ নেওয়ার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। দলের তৃণমূল পর্যায়ের নেতাকর্মীরা মনে করছেন, মূলধারার রাজনীতিতে ফিরতে হলে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপিকে অংশ নিতে হবে। জাতীয় নির্বাচনের মতো এ নির্বাচন বর্জন করলে অস্তিত্ব সংকটে পড়বে দলটি।

বিজ্ঞাপন

অবশ্য এই মতটা বিএনপির সেই সব নেতাকর্মী ও সমর্থকদের, যারা বিভিন্ন সময় ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ বা সিটি করপোরেশনে যথাক্রমে চেয়ারম্যান, মেয়র বা কাউন্সিলর পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে থাকেন। তারা মনে করছেন, যেহেতু স্থানীয় সরকার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা পরিবর্তন বা ক্ষমতায় যাওয়ার বিষয়টি নির্ভর করে না, সেহেতু এই নির্বাচন বয়কট করা বিএনপির জন্য ঠিক হবে না। সরাসরি না হলেও কৌশলে আসন্ন উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির অংশ নেওয়া উচিত।

এ প্রসঙ্গে দক্ষিণ সুনামগঞ্জ উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা ওমর ফারুক সারাবাংলাকে বলেন, ‘নির্বাচন যাওয়া না যাওয়া দলের হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভর করে। তারা যে সিদ্ধান্ত দেবে, সেটাই আমাদের মেনে নিতে হবে। তবে নির্বাচনের ব্যাপারে ব্যক্তিগত অভিমত জানতে চাইলে আমি বলব— তৃণমূল পর্যায়ে দলকে সংগঠিত ও শক্তিশালী রাখতে চাইলে নির্বাচনে যাওয়া উচিত।’

বিজ্ঞাপন

অন্যদিকে বিএনপির যেসব নেতা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হন, দল ক্ষমতায় গেলে মন্ত্রী হন অথবা স্থানীয় নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া যাদের অবস্থানের সঙ্গে যায় না, তাদের অবস্থান উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশগ্রহণের বিপক্ষে। তারা বলছেন, ঘোষণা দিয়ে নির্বাচনে না যাওয়া-ই উচিত বিএনপির। তবে এ ক্ষেত্রে তৃণমূলের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে ভিন্ন কৌশলে নির্বাচনে যাওয়া যেতে পারে বলেও মনে করছেন তারা।

কারণ হিসেবে তারা বলছেন, উপজেলা নির্বাচনে গেলে বিএনপির রাজনীতিতে চাঙ্গাভাব ফিরে আসবে। এর মাধ্যমে বিএনপি স্বাভাবিক রাজনীতিতে ফিরতে পারবে। নির্বাচনি ব্যাস্ততার মধ্যে থাকলে জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে হতাশা তৈরি হয়েছে, সেটি দূর হবে। এই মুহূর্তে বিএনপির তৃণমূল যে বিপর্যস্ত অবস্থায় আছে, দলটি উপজেলা নির্বাচন প্রক্রিয়ায় যুক্ত হলে দলের তৃণমূল পর্যায়ে লাখ লাখ নেতাকর্মী রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পেলে সেই অবস্থা কেটে যাবে।

অবশ্য দলের কেউ কেউ কোনো কৌশলেই নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে নন। তারা বলছেন, বর্তমান সরকারের অধীনে নির্বাচনে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসা ঠিক হবে না। এতে বিএনপির নৈতিক পরাজয় ঘটবে। নেতাকর্মীদের মনোবল আরও ভেঙে যাবে। তাছাড়া নির্বাচনে গিয়েও কোনো লাভ হবে না। সংসদ নির্বাচনের আদলেই স্থানীয় সরকার নির্বাচন করবে সরকার। উল্টো নির্বাচন ঘিরে বরং তৃণমূলে হামলা-মামলা আরও বাড়বে।

জানতে চাইলে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান নিতাই রায় চৌধুরী সারাবাংলাকে বলেন, ‘এটা ঠিক যে তৃণমূল ও মাঠ পর্যায়ে যারা রাজনীতি করেন, তারা হয়তো স্থানীয় নির্বাচনে যাওয়ার ব্যাপারে আগ্রহী। কিন্তু নির্বাচনে গিয়ে কী হবে? এ সরকারের আমলে কোনো নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ হবে না। তারপরও এ ব্যাপারে যেহেতু কথা উঠেছে, দলের হাইকমান্ড নিশ্চয় বিষয়টি নিয়ে বসবে এবং সবার মতামতের ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেবে।’

এদিকে অনেকেই মনে করছেন জাতীয় নির্বাচনের মতো স্থানীয় নির্বাচন, বিশেষ করে উপাজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করলে বিএনপি রাজনীতি থেকে হারিয়ে যাবে। কারণ আয়োজনের দিক থেকে উপজেলায় নির্বাচন জাতীয় সংসদ নির্বাচনের চেয়ে কম নয়। ৩০০ আসনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন যেমন ভোটের রাজনীতিতে মহাগুরুত্বপূর্ণ বিষয়, তেমিন পাঁচ শতাধিক উপজেলায় প্রতক্ষ্য ভোটে নেতা নির্বাচনের বিষয়টিও গুরুত্বপূর্ণ। এ নির্বাচনে না গেলে তৃণমূলে যে ভাঙন দেখা দেবে, তা রোধ করা কঠিন হয়ে পড়বে।

এসব দিক বিবেচনায় রেখে ‘কৌশলী’ সিদ্ধান্ত নেওয়ার পক্ষে বিএনপির শীর্ষ নেতারা। এবার যেহেতু দলীয় প্রতীকে নির্বাচন হওয়ার সম্ভাবনা কম, সেহেতু দলের আগ্রহী প্রার্থীদের জন্য মাঠ উম্মুক্ত করে দেওয়ার কথা ভাবছে তারা। যারা নির্বাচনে অংশ নিতে চান, দল থেকে তাদের বাধা দেওয়া হবে না। আবার প্রকাশ্যে কাউকে সমর্থনও করবে না বিএনপি। তবে কেউ ভোটে দাঁড়ালে তার পক্ষে দলের নেতাকর্মী-সমর্থকরা কাজ করতে পারবেন। এ জন্য দল কাউকে বহিষ্কারও করবে না।

জানতে চাইলে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান সারাবাংলাকে বলেন, ‘উপজেলা নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর দলীয় ফোরামে এ ব্যাপারে আলোচনা করে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

সারাবাংলা/এজেড/টিআর

উপজেলা নির্বাচন উপজেলা পরিষদ উপজেলা পরিষদ নির্বাচন নির্বাচন কমিশন নির্বাচন বর্জন নির্বাচনে অংশগ্রহণ বিএনপি

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর