Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা ২৮ বছর পর খারিজ
Wednesday 14 Oct 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা ২৮ বছর পর খারিজ

ডিস্ট্রিক্ট করেসপন্ডেন্ট
২৩ এপ্রিল ২০২৪ ২৩:৪১

রাঙ্গামাটি: দীর্ঘ ২৮ বছর পর শেষ হয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রামের বহুল আলোচিত হিল উইমেন্স ফেডারেশন নেতা কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলা। আদালত পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করে নিলে মামলাটি খারিজ হয়ে গেছে।

এ মামলায় ‘অপহরণে কারও সংশ্লিষ্টতা না পাওয়া’র কথা উল্লেখ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিল পুলিশ। এর বিরুদ্ধে বাদীপক্ষ নারাজি আবেদন করলে তার ওপর শুনানি হয়ে আসছিল। শেষ পর্যন্ত আদালত বাদীপক্ষের নারাজি আবেদন প্রত্যাখ্যান করে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেছেন। এতেই খারিজ হয়েছে মামলাটি।

বিজ্ঞাপন

মঙ্গলবার (২৩ এপ্রিল) রাঙ্গামাটির সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা বেগম মুক্তা বাদীর নারাজি নামঞ্জুর ও পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের আদেশ দেন। তবে বিচারিক আদালতের এ আদেশে সংক্ষুব্ধ বাদীপক্ষ উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানিয়েছে।

মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী জুয়েল দেওয়ান বলেন, মঙ্গলবার কল্পনা চাকমার মামলার শুনানি ছিল সিনিয়র ম্যাজিস্ট্রেট ফাতেমা বেগম মুক্তার আদালতে। শুনানিতে আদালত বাদীর কথা শুনেছেন। এরপর পুলিশ সুপারের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর বাদী যে নারাজি আবেদন দিয়েছিলেন, সেটি প্রত্যাখ্যান করে দিয়েছেন আদালত এবং পুলিশ সুপারের চূড়ান্ত তদন্ত নথিভুক্ত করেছেন। এর ফলে বিচারিক আদালতে মামলাটির অবসান ঘটল।

বিচারিক আদালতের এ সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে উচ্চ আদালতে যাওয়ার কথা জানালেন জুয়েল দেওয়ান। তিনি বলেন, এ মামলায় পুলিশ সুপার যে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দিয়েছিলেন, সেখানে প্রকৃত আসামিদের নামই উল্লেখ করা হয়নি। তাদের নাম আড়াল করার মাধ্যমে সন্দেহভাজন অভিযুক্তদের দায়মুক্তি দেওয়া হয়েছে। আমরা এ মামলা নিয়ে উচ্চ আদালতে যাব।

বিজ্ঞাপন

মামলার বাদী কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমাও বিচারিক আদালতের আদেশে সন্তুষ্ট নন। তিনিও বোনের অপহরণ মামলাটি নিয়ে উচ্চ আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানান।

কল্পনা চাকমা অপহরণ মামলার এজাহারসহ আদালতের নথি থেকে জানা যায়, ১৯৯৬ সালের ১১ জুন মধ্যরাতে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলা লাইল্যাঘোনার বাড়ি থেকে কল্পনা চাকমা অপহরণের শিকার হন। পরদিন বাঘাইছড়ি থানায় তার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা অপহরণ মামলা দায়ের করেন।

এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বাঘাইছড়ি থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ফারুক ২০১০ সালের ২১ মে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন। ওই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করে নারাজি আবেদন দিয়েছিল বাদীপক্ষ। এরপর মালাটি অধিকতর তদন্তের জন্য পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) নির্দেশ দেন আদালত।

সিআইডির তদন্ত কর্মকর্তা শহীদুল্লাহ ২০১২ সালে ২৬ সেপ্টেম্বর প্রতিবেদন দাখিল করেছিলেন আদালতে। ওই প্রতিবেদনেও কালিন্দী কুমার চাকমা নারাজি দিলে আদালত রাঙ্গামাটি পুলিশ সুপারকে মামলাটি তদন্তের নির্দেশ দেন। মামলার ৩৯তম তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে রাঙ্গামাটির ওই সময়কার পুলিশ সুপার সৈয়দ তারিকুল ইসলাম ২০১৬ সালের ৭ সেপ্টেম্বর চূড়ান্ত প্রতিবেদন রাঙ্গামাটি আদালতে পেশ করেন।

পুলিশের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, কল্পনা চাকমা অপহরণের শিকার হলেও কে বা কারা তাকে অপহরণ করেছে, তার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। মামলায় সন্দেহভাজন হিসেবেও কারও নাম উল্লেখ করা হয়নি। কল্পনা চাকমার বড় ভাই কালিন্দী কুমার চাকমা এ চূড়ান্ত প্রতিবেদনের ওপর নারাজি আবেদন করে অধিকতর তদন্তের দাবি জানান। পরে আদালতে এ নিয়ে বহুবার শুনানি হয়েছে। শেষ পর্যন্ত মঙ্গলবার চূড়ান্ত প্রতিবেদন গ্রহণের ফলে খারিজ হওয়ার মধ্য দিয়ে মামলাটির বিচারিক আদালতের কার্যক্রমের অবসান ঘটল।

এদিকে অপরণের শিকার কল্পনা চাকমার ভাই কালিন্দী কুমার চাকমার নারাজি আবেদন নামঞ্জুর করে পুলিশের চূড়ান্ত প্রতিবেদন আদালত গ্রহণ করায় তীব্র ক্ষোভ জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন ইউপিডিএফের সহযোগী সংগঠন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের সভাপতি নীতি চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক রিতা চাকমা।

মঙ্গলবার রাতে সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া বিবৃতিতে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে আদালতসহ সব গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান দলীয়করণের অভিযোগ করেন হিল উইমেন্স ফেডারেশনের শীর্ষ দুই নেতা। বলেন, এ সরকারের অধীনে চিহ্নিত অপরাধীদের বিচার আশা করা যায় না। জনগণের কাঠগড়ায় চিহ্নিত অপহরণকারী লেফটেন্যান্ট ফেরদৌস গং এবং বর্তমান ফ্যাসিস্ট সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে।

কল্পনা চাকমা অপহরণের ঘটনাটি সারা দেশে তো বটেই, দেশের বাইরেও ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনা তদন্তে বিচার বিভাগীয় কমিটিও গঠন করা হয়েছিল। বাদীপক্ষসহ স্থানীয়দের অভিযোগ, বাঘাইছড়ি থানা পুলিশ থেকে শুরু করে সিআইডি ও পুলিশ সুপারও তদন্ত প্রতিবেদনে ঘটনার সঠিক তথ্য উল্লেখ করেননি।

সারাবাংলা/টিআর

অপহরণ মামলা কল্পনা চাকমা কল্পনা চাকমা অপহরণ চূড়ান্ত প্রতিবেদন নারাজি প্রত্যাখ্যান মামলা খারিজ

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর