Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে শিক্ষককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা
Friday 09 Oct 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

অধ্যক্ষের কক্ষে ঢুকে শিক্ষককে পেটালেন ছাত্রলীগ নেতা

স্টাফ করেসপন্ডেন্ট
১৬ মে ২০২৪ ২২:০০

চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রামের চন্দনাইশের গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজে শিক্ষককে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে এক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ মে) সকালে কলেজের অধ্যক্ষের রুমে এ ঘটনা ঘটে।

অভিযুক্ত সাফাতুন নূর চৌধুরী কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক বলে জানা গেছে। তিনি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের স্নাতক চতুর্থ বর্ষের ছাত্র।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকালে রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কে এম আতিকুর রহমান সেমিনার কক্ষে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণের কাজ করছিলেন। তখন সেমিনার কক্ষে ঢুকে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাফাতুন নুর চৌধুরী একটি নষ্ট পাখা দেখিয়ে তাকে ঠিক করে দেওয়ার কথা বলেন। আতিকুর রহমান ফ্যানটি নতুন করে লাগানো হবে বলে জবাব দেন। বাকবিতণ্ডার এক পর্যায়ে সাফাতুন নূর জানালার পর্দার পাইপ খুলে ফ্যানে আঘাত করলে অফিস সহায়ক প্রযুক্ত পালের মাথায় সজোরে লাগে। সঙ্গে সঙ্গে তাকে উদ্ধার করে অধ্যক্ষের কক্ষে নেন উপস্থিত অন্যান্য শিক্ষকরা।

সাফাতুন নূর অধ্যক্ষের রুমে গিয়ে অন্য শিক্ষকদের সঙ্গেও তর্কে জড়িয়ে পড়েন। এরপর ওই ছাত্রলীগ নেতা রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক কে এম আতিকুর রহমানকে অশ্রাব্য গালিগালাজ করেন এবং কিলঘুষি মারতে থাকেন। এতে ওই শিক্ষক আহত হন।

মারধরের শিকার সহযোগী অধ্যাপক কে এম আতিকুর রহমান সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমি সকালে সেমিনার কক্ষে বসে ছিলাম। সাফাতুন নূর আমাদের বিভাগেরই ছাত্র। সে এসে ফ্যান কেন নষ্ট জিজ্ঞেস করে এবং সেটি মেরামত করার জন্য জানায়। তখন বিভাগীয় প্রধান স্যার সামনের মাসে টাকা তুলে ফ্যান ঠিক করাবে বলে তাকে জানাই। এরপরই সে ক্ষিপ্ত হয়ে পাইপ দিয়ে দেয়ালে আঘাত করে। এতে আমাদের এক অফিস সহায়ক গুরুতর আহত হন।’

বিজ্ঞাপন

‘পরে তাকে নিয়ে আমরা অধ্যক্ষের রুমে গেলে ওই ছাত্র আমাদের পেছন পেছন এসে আমাকে গালাগালি করতে থাকে এবং কয়েকটা ঘুষি মারে। প্রথম ঘুষিটি না লাগলেও দ্বিতীয় ঘুষিটি এসে আমার ঠোঁটে লাগে। এতে আমার ঠোঁট ফেটে যায়। কয়েকটি লাথিও মারে সে আমাকে। পরে তার সঙ্গে থাকা একজন ছাত্র তাকে টেনে নিয়ে চলে যায়। আমি থানায় গিয়ে এ বিষয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করে এসেছি।’

রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আবদুল খালেক সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমরা এ বিষয়ে অধ্যক্ষ বরাবর একটি লিখিত আবেদন জানিয়েছি। আমাদের নিরাপত্তা নিয়ে আমরা শঙ্কিত। এ ধরনের ঘটনার মেনে নেওয়ার মতো নয়।’

এ বিষয়ে জানতে কলেজ অধ্যক্ষ রণজিৎ কুমার দত্তের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তিনি কল ধরেননি।

চন্দনাইশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ওবায়দুল ইসলাম সারাবাংলাকে জানান, কলেজের সেমিনার কক্ষে নষ্ট পাখা নিয়ে এক ছাত্রের সঙ্গে শিক্ষকদের তর্ক-বিতর্ক হয়। পরে ওই ছাত্র শিক্ষককে মারধর করেন। খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় থানায় সাধারণ ডায়েরি হয়েছে।

জানতে চাইলে অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা সাফাতুন নূর চৌধুরী সারাবাংলাকে বলেন, ‘আমি ওনাকে কেন মারব? শিক্ষকরা আমাদের পিতৃতুল্য। আমি ওখানে গিয়েছিলাম সত্য। আমাদের কলেজে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের ফরম পূরণ চলছে। সাধারণ শিক্ষার্থীরা এসে আমাকে অভিযোগ দিয়েছে পটিয়া কলেজে ভর্তি ১ হাজার ৬৮০ টাকা আর আমাদের কলেজে নিচ্ছে ২ হাজার ৮৮০ টাকা।’

‘দুইটাই সরকারি কলেজ। এ বিষয়ে কথা বলতে আমি শিক্ষকদের রুমে গিয়েছিলাম। কেন টাকা বেশি নিচ্ছে এটির জন্য জবাব চেয়েছি শুধু। মারার তো প্রশ্নই আসে না। তাদের কাছে আমি কি কি খাতে ভর্তির টাকা নেওয়া হচ্ছে সে ডকুমেন্ট চেয়েছি। সেটি তারা দিতে পারেনি। এ জন্য আমার নামে তারা অপবাদ ছড়াচ্ছে।’

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/আইসি/একে

গাছবাড়িয়া কলেজ ছাত্রলীগ নেতা টপ নিউজ শিক্ষক

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর