Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সাড়ে ৯ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ দুদকে
Monday 12 Oct 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে সাড়ে ৯ কোটি টাকা অনিয়মের অভিযোগ দুদকে

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
২৬ মে ২০২৪ ১৫:২১

ঢাকা: নোবলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে নতুন করে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ দায়ের করেছে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। এতে বলা হয়, ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজ ও তার পরিবারের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান ‘প্যাকেজেস করপোরেশন লিমিটেডকে’ বেআইনিভাবে সাড়ে ৯ কোটি টাকা ঋণ প্রদান, ঋণ মওকুফ ও কার্যাদেশ দিয়েছেন।

রোববার (২৬ মে) দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সংস্থার চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর কাছে গ্রামীণ ব্যাংকের উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ডিএমডি) প্রদীপ কুমার কুমার সাহা এ অভিযোগ দেন। এসময় ব্যাংকটির আইন উপদেষ্টা মাসুদ আখতারসহ অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিজ্ঞাপন

অভিযোগ দায়ের প্রসঙ্গে প্রদীপ কুমার কুমার সাহা সাংবাদিকদের বলেন, ‘ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রায়ই বলে থাকেন তিনি গ্রামীণ ব্যাংক থেকে কখনো ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সুবিধা নেননি। কিন্তু গ্রামীণ ব্যাংক সম্পর্কিত বাংলাদেশ ব্যাংকের বিশেষ পরিদর্শন প্রতিবেদনে নিজ পারিবারিক প্রতিষ্ঠান চট্টগ্রামে অবস্থিত প্যাকেজেস কর্পোরেশন লিমিটেডকে দাতা সংস্থার শর্ত লঙ্ঘনপূর্বক গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যবস্থাপনায় আনা এবং ওই প্রতিষ্ঠানকে অর্থায়ন করার বিষয়ে আপত্তি উত্থাপিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির মালিক তার বাবা দুলা মিয়া, তিনি নিজে এবং তার অপর দুই ভাই আব্দুস সালাম ও মুহাম্মদ ইব্রাহীম।’

তিনি আরও বলেন, ‘এছাড়াও অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ গঠিত উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রিভিউ কমিটির প্রতিবেদন এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তালিকাভুক্ত স্বনামধন্য নিরীক্ষা ফার্ম কর্তৃক ১৯৮৩ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত ৪০ বছরের কমপ্রিহেনসিভ নিরীক্ষা রিপোর্টে প্যাকেজেস কর্পোরেশনকে বেআইনিভাবে ঋণ প্রদান, ঋণ মওকুফ ও কোটি কোটি টাকার কার্যাদেশ প্রদান সম্পর্কিত ব্যাপক দুর্নীতির দালিলিক তথ্য পাওয়া গেছে। যেখানে অরিজিনাল ভাউচার, অ্যাডভাইস, ড. মুহাম্মদ ইউনূস কর্তৃক ঋণ ও বিলের অনুমোদন পত্রের প্রমাণ পাওয়া গেছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ড. মুহাম্মদ ইউনূস গ্রামীণ ব্যাংকের এমডি থাকাকালীন ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আর্থিক সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে আইন ভঙ্গ, ক্ষমতার অপব্যবহার এবং গ্রামীণ ব্যাংক পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অর্পিত দায়িত্বের চূড়ান্ত অবমাননা করে ১৯৯০ সাল থেকে পারিবারিক ছাপাখানা প্রতিষ্ঠান প্যাকেজেস কর্পোরেশনকে সাড়ে ৯ কোটি টাকা অবৈধ সুবিধা দিয়েছেন।

‘গ্রামীণ ব্যাংক অধ্যাদেশ-১৯৮৩ অনুযায়ী গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণ সুবিধা শুধু ভূমিহীন দরিদ্র ঋণগ্রহীতাদের জন্য সীমাবদ্ধ থাকলেও তিনি আইন ভঙ্গ করে তার পরিবারিক রুগ্ন ও লোকসানি প্রতিষ্ঠান প্যাকেজেস কর্পোরেশনকে বিপুল অংকের ঋণ দিয়েছেন। পরে প্রতিষ্ঠানটি ঋণ পরিশোধে ব্যর্থ হলে তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে সুদ, এমনকি আসলেরও কিছু অংশ সুকৌশলে মওকুফ করিয়ে নিয়েছেন।’

প্রদীপ কুমার বলেন, ‘পরিচালানা পর্ষদের কোনোপ্রকার অনুমোদন ছাড়াই তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করে প্রতিষ্ঠানটিতে গ্রামীণ ব্যাংকের উল্লেখযোগ্য সংখ্যক কর্মকর্তা ও কর্মচারীকে প্রেষণে নিয়োগ দেন এবং নিজ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে গ্রামীণ ব্যাংকের অফিস বিনাভাড়ায় ব্যবহার করেন। পরিচালনা পর্ষদের অনুমোদন ছাড়া ড. মুহাম্মদ ইউনূস নিজেই দর নির্ধারণী কমিটি গঠন করেন। তিনি নিজের প্রণীত ও স্বাক্ষরিত গ্রামীণ ব্যাংক ক্রয় নীতিমালা লঙ্ঘন করে নিজের মালিকানাধীন পারিবারিক প্রতিষ্ঠানকে কোনো প্রকার প্রতিযোগিতামূলক উন্মুক্ত দরপত্র আহ্বান ছাড়াই উচ্চদরে গ্রামীণ ব্যাংকের কোটি কোটি টাকার প্রিন্টিং সামগ্রী ছাপানোর কার্যাদেশ দিয়েছেন। এভাবে নিজে ও পরিবারিকভাবে বিপুল অঙ্কের আর্থিক সুবিধা নিয়েছেন। আজ এ বিষয়ে অভিযোগ দায়ের করে ন্যায়বিচার দাবি করছি।’

সারাবাংলা/জিএস/এমও

টপ নিউজ ড. ইউনূস দুদক

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর