Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
গাজা থেকে ৪ ইসরায়েলি জিম্মি উদ্ধার যে অভিযানে
Saturday 02 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

গাজা থেকে ৪ ইসরায়েলি জিম্মি উদ্ধার যে অভিযানে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
৯ জুন ২০২৪ ১০:২৩

মধ্য গাজায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে চার জিম্মিকে উদ্ধার করেছে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী। কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিকল্পনার পর ‘সিডস অব সামার’ নামের এক অভিযানে তাদের উদ্ধার করা হয়। তবে সেই অভিযানে শিশুসহ অনেক ফিলিস্তিনি মারা গেছে বলেও খবর মিলেছে।

ইসরায়েলিদের জন্য এ অভিযান স্বস্তি নিয়ে এলেও ফিলিস্তিনিদের জন্য তা আরেও দুর্ভোগ তৈরি করেছে। গাজার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, ঘনবসতিপূর্ণ নুসিরাত ক্যাম্পে অভিযানে শিশুসহ ডজনখানেক লোক মারা গেছে।

বিজ্ঞাপন

বিবিসির এক প্রতিবেদনে ‘সিডস অব সামার’ অভিযানের’ বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেছেন করেসপন্ডেন্ট জন ডনিসন। তিনি লিখেছেন, অস্বাভাবিক হলেও এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছিল দিনে। ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী প্রতিপক্ষকে আরেও বেশি চমকে দিয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, সকালের মাঝামাঝি সময়ে সাধারণত রাস্তাগুলো ব্যস্ত থাকে। লোকজন নিকটবর্তী দোকানে কেনাকাটায় ব্যস্ত সময় কাটায়। ওই এলাকায় ঢুকে অভিযান চালানো ইসরায়েলি বাহিনীর জন্য একদিকে যেমন ছিল ঝুঁকিপূর্ণ, অন্যদিকে সেখান থেকে বের হওয়াটা ছিল বেশি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। অভিযানে বিশেষ বাহিনীর এক কর্মকর্তা আহত হয়ে হাসপাতালে মারা গেছেন বলে ইসরায়েলি পুলিশ জানিয়েছে।

১৯৭৬ সালে উগান্ডা থেকে ১০০ জিম্মিকে ইসরায়েলের উদ্ধারের কথা উল্লেখ করে আইডিএফের প্রধান মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, এনটেবিতে যে রকম অভিযান ছিল, এটাও ঠিক তেমনই একটি অভিযান। স্পেশাল কমান্ডোরা একইসাথে নুসিরাত ক্যাম্পের দুটি আবাসিক অ্যাপার্টমেন্টে অভিযান চালিয়েছিল যেখানে জিম্মিদের রাখা হয়েছে।

বিজ্ঞাপন

একটি অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন জিম্মি নোয়া আরগামানি (২৬)। আরেকটি অ্যাপার্টমেন্টে ছিলেন স্লোমি জিভ (৪১), আন্দ্রে কজলভ (২৭) ও আলমগ মির জেন (২২)। হাগারি বলেন, তাদের খাঁচায় আটকে রাখা হয়নি ঠিকই, কিন্তু তাদের যে কক্ষে রাখা হয়েছিল তা ছিল তালাবদ্ধ। বাইরে থেকে রক্ষীরা পাহারা দিচ্ছিল সেসব কক্ষ।

ড্যানিয়েল হাগারি বলেন, ইসরায়েলি কমান্ডোরা যেখানে অভিযান চালিয়েছে, সেখানে নিজেদের শরীর দিয়ে জিম্মিদের ঘিরে রাখে। বাইরে থাকা সামরিক গাড়িতে ওঠানোর আগে পর্যন্ত এভাবে তাদের কঠোর নিরাপত্তা দেওয়া হয়। চলে যাওয়ার সময় তারা ফিলিস্তিনি যোদ্ধাদের তীব্র প্রতিরোধের মুখোমুখি হয়েছিল।

আইডিএফের এই প্রধান মুখপাত্র আরও বলেন, ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী বিস্তারিতভাবে অভিযানের পরিকল্পনা করেছিল। এমনকি প্রশিক্ষণের জন্য অ্যাপার্টমেন্টের নমুনাও তৈরি করেছিল।

ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া মোবাইল ফোনের ভিডিওতে দেখা যায়, ক্ষেপণাস্ত্রের বাঁশি ও গোলাগুলির শব্দ শুনলে লোকজন আত্মরক্ষার জন্য নিচু হয়ে পড়ছে। পরের ফুটেজে রাস্তায় মরদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকতে দেখা যায়।

এই অভিযানে স্পষ্টতই বড়সড় ফোর্স জড়িত ছিল। মধ্য গাজার দুটি হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ৭০ টিরও বেশি মরদেহ তারা গুনে পেয়েছেন। অন্যদিকে হাগারি বলছেন, নিহতের সংখ্যা এক শর কম। তবে হামাসের মিডিয়া অফিস বলছে, দুই শতাধিক ব্যক্তির প্রাণহানি ঘটেছে। বিবিসি স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করে নিহতের সংখ্যা নিশ্চিত হতে পারেনি।

নুসিরাতে আশ্রয় নেওয়া নোরা আবু খামিস কান্নায় ভেঙে পড়ে বিবিসিকে বলেন, ‘আমি আমার সন্তানের শরীরের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ সংগ্রহ করেছি। আমার প্রিয় সন্তান। আমার আরেক সন্তান জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে। এমনকি আমার স্বামী ও শাশুড়িসহ আমার পুরো পরিবার ধ্বংস হয়ে গেছে। এটা একটা গণহত্যা।’

কাছের একটি হাসপাতালে বসে কথা হয় ১০ বছর বয়সী আরিজ আল জাদনেহর সঙ্গে। বিমান হামলা, ট্যাংক ও গুলিবর্ষণের কথা জানিয়ে সে বলছিল, ‘আমরা শ্বাস নিতে পারছিলাম না। আমার বোন রিমাজের মাথায় শার্পনেলের আঘাত লেগেছিল এবং আমার পাঁচ বছরের বোন ইয়ারাও শার্পনেলের আঘাতে আহত হয়েছে।’

সারাবাংলা/টিআর

ইসরায়েল গাঁজা গাজায় অভিযান জিম্মি উদ্ধার টপ নিউজ

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর