Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
জুনে সড়কে নিহত ৮০১, বেশি মোটসাইকেল দুর্ঘটনায়
Saturday 02 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

জুনে সড়কে নিহত ৮০১, বেশি মোটসাইকেল দুর্ঘটনায়

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১০ জুলাই ২০২৪ ১৭:০২

ঢাকা: জুন মাসে সারাদেশে সড়ক দুর্ঘটনায় ৮০১ জন নিহত হয়েছেন, আহত হয়েছেন তিন হাজার ২৬৭ জন। মোট ৫৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

দেশের শীর্ষ স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত খবর ও পঙ্গু হাসপাতাল থেকে নেওয়া সূত্র থেকে এ তথ্য তুলে ধরেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি।

বুধবার (১০ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সড়ক দুর্ঘটনা নিয়ে কাজ করা সংগঠন বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি এ তথ্য জানিয়েছে। এতে উল্লেখ করা হয়, দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠানের (পঙ্গু হাসপাতাল) তথ্যের ভিত্তিতে এই পরিসংখ্যান প্রস্তুত করা হয়েছে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতি জানায়, জুন মাসে রেলপথে ৪৬টি দুর্ঘটনায় ৪২ জনের মৃত্যু হয়েছে, আহত হয়েছেন নয়জন। নৌ-পথে নয়টি দুর্ঘটনায় ১২ জনের মৃত্যু, সাতজন আহত ও নয়জন নিখোঁজ রয়েছেন। সড়ক, রেল ও নৌ-পথে মোট ৬১২টি দুর্ঘটনা ঘটেছে। এসব দুর্ঘটনায় ঝরেছে ৮৫৫ প্রাণ। আহত হয়েছেন তিন হাজার ২৮৩ জন।

সংগঠনটি বলছে, জুনে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা সবচেয়ে বেশি হয়েছে। মাসজুড়ে ২১৭টি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় ২২২ জন নিহত ও এক হাজার ৯৩ জন আহত হয়েছেন—যা মোট দুর্ঘটনার ৩৮ দশমিক ৯৫ শতাংশ। শতকরা হিসাবে নিহত হয়েছেন ৩৮ দশমিক এক শতাংশ ও আহতের ৩৩ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জুন মাসে সবচেয়ে বেশি সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে ঢাকা বিভাগে। ১৩৩ টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩৯ জন নিহত ও ২১৪ জন আহত হয়েছেন। আর সবচেয়ে কম সড়ক দুর্ঘটনা সংগঠিত হয়েছে সিলেট বিভাগে। সেখানে ২৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত ও ৪৭ জন আহত হয়েছেন।

এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির সড়ক দুর্ঘটনা মনিটরিং সেলের সদস্যরা বহুল প্রচারিত ও বিশ্বাসযোগ্য জাতীয়, আঞ্চলিক ও অনলাইন সংবাদপত্রে প্রকাশিত সড়ক, রেল ও নৌ পথের দুর্ঘটনার সংবাদ মনিটরিংয়ের পাশাপাশি জাতীয় অর্থোপেডিক হাসপাতাল ও পুনর্বাসন কেন্দ্রে (পঙ্গু হাসপাতাল) সড়ক দুঘটনায় আহত ২১৩৯ জন আহত রোগীর তথ্য নিয়ে এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়।

বিজ্ঞাপন

বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণে দেখা গেছে, জুন মাসে সংবাদপত্রে প্রকাশিত তথ্যমতে ৫৫৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৮৪ জন নিহত ও ১১২৮ জন আহত হয়েছেন। অপর দিকে, ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী এইমাসে ২১৩৯ সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগী ভর্তি হয়েছেন। যার মধ্যে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় আহত হয়ে হাত বা পা ভেঙে ভর্তি রোগী ৯২২ জন।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসাব বলছে সড়ক দুর্ঘটনায় আহত রোগীর ১৫ শতাংশ হাসপাতালে অথবা বাসায় চিকিৎসারত অবস্থায় মারা যান। সেই হিসেবে জুন মাসে ৮০১ জন নিহত ও ৩২৬৭ জন আহত হয়েছেন।

সড়কে দুর্ঘটনায় আক্রান্ত ব্যক্তির মধ্যে ১২ জন আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, ১১৩ জন চালক, ৮১ জন পথচারী, ২২ জন পরিবহন শ্রমিক, ২৯ জন শিক্ষার্থী, ০৫ জন শিক্ষক, ৯৯ জন নারী, ৫১ জন শিশু, ০১ জন সাংবাদিক, ০২ জন মুক্তিযোদ্ধা, ০১ জন আইনজীবী, এবং ০৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীর পরিচয় মিলেছে। এদের মধ্যে নিহত হয়েছে- ১ জন পুলিশ সদস্য, ১ সেনাবাহিনী সদস্য, ১ জন আনসার সদস্য, ২ জন মুক্তিযোদ্ধা, ৯৪ জন বিভিন্ন পরিবহনের চালক, ৭৭ জন পথচারী, ৭০ জন নারী, ৪৬ জন শিশু, ২৫ জন শিক্ষার্থী, ১৬ জন পরিবহন শ্রমিক, ৫ জন শিক্ষক, ৯ জন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী। এই সময় সড়ক দুর্ঘটনায় সংগঠিত ৮৫১ টি যানবাহনের পরিচয় মিলেছে।

এতে দেখা যায়, ২৭.২৬ শতাংশ মোটরসাইকেল, ২২.৭৯ শতাংশ ট্রাক-পিকাপ-কাভার্ডভ্যান ও লরি, ১৩.৩৯ শতাংশ বাস, ১৫.২৭ শতাংশ ব্যাটারিচালিত রিক্সা ও ইজিবাইক, ৫.৮৭ শতাংশ সিএনজিচালিত অটোরিক্সা, ৭.৫২ শতাংশ নছিমন-করিমন-মাহিন্দ্রা-ট্রাক্টর ও লেগুনা, ৭.৮৭ শতাংশ কার-জিপ-মাইক্রোবাস সড়কে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে। সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৫২.৪২ শতাংশ গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনা, ২২.৯৮ শতাংশ মুখোমুখি সংঘর্ষ, ২১.৩৬ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে খাদে পড়ে, ১.৭৯ শতাংশ বিবিধ কারনে, চাকায় ওড়না পেছিয়ে ০.৮৯ শতাংশ, এবং ০.৫৩ ট্রেন-যানবাহনের সংঘর্ষে ঘটে।

বিজ্ঞাপন

দুর্ঘটনার ধরন বিশ্লেষণে দেখা যায়, এই মাসে সংগঠিত মোট দুর্ঘটনার ৩৮.২৪ শতাংশ জাতীয় মহাসড়কে, ২১.০৫ শতাংশ আঞ্চলিক মহাসড়কে, ৩৪.২৯ শতাংশ ফিডার রোডে সংঘটিত হয়েছে। এছাড়াও সারা দেশে সংঘটিত মোট দুর্ঘটনার ৪.৮৪ শতাংশ ঢাকা মহানগরীতে, ১.০৭ শতাংশ চট্টগ্রাম মহানগরীতে ও ০.৫৩ শতাংশ রেলক্রসিংয়ে সংগঠিত হয়েছে।

দুর্ঘটনার কারণ: দেশের সড়ক-মহাসড়কে মোটরসাইকেলের অবাধ চলাচল, জাতীয় মহাসড়কে রোড সাইন বা রোড মার্কিং, সড়কবাতি না থাকায় হঠাৎ ঈদে যাতায়াতকারী ব্যক্তিগত যানের চালকদের রাতে এসব জাতীয় সড়কে ঝুঁকি নিয়ে যানবাহন চালানো,জাতীয়, আঞ্চলিক ও ফিডার রোডে টানিং চিহ্ন না থাকার ফলে নতুন চালকের এসব সড়কে দুঘটনায় পতিত হয়েছে, মহাসড়কের নির্মাণ ত্রুটি, যানবাহনের ত্রুটি, ট্রাফিক আইন অমান্য করার প্রবণতা, উল্টোপথে যানবাহন চালানো, সড়কে চাদাঁবাজি, পণ্যবাহী যানে যাত্রী পরিবহন, অদক্ষ চালক, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, অতিরিক্ত যাত্রী বহন, বেপরোয়া যানবাহন চালানো এবং একজন চালক অতিরিক্ত সময় ধরে যানবাহন চালানোকে দায়ী করা হয়।

দুর্ঘটনা রোধে সুপারিশ: এরমধ্যে রয়েছে, জরুরি ভিত্তিতে মোটরসাইকেল ও ইজিবাইক আমদানি ও নিবন্ধন বন্ধ করা, জাতীয় ও আঞ্চলিক মহাসড়কে রাতের বেলায় অবাধে চলাচলের জন্য আলোকসজ্জার ব্যবস্থা করা, দক্ষ চালক তৈরির উদ্যোগ গ্রহন, যানবাহনের ডিজিটাল পদ্ধতিতে ফিটনেস প্রদান, ধীরগতির যান ও দ্রুতগতির যানের জন্য আলাদা লেনের ব্যবস্থা করা, সড়কে চাদাঁবাজি বন্ধ করা, চালকদের বেতন ও কর্মঘন্টা সুনিশ্চিত করা, মহাসড়কে ফুটপাত ও পথচারী পারাপারের ব্যবস্থা রাখা, রোড সাইন, রোড মার্কিং স্থাপন করা, সড়ক পরিবহন আইন যথাযতভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে প্রয়োগ করা, উন্নতমানের আধুনিক বাস নেটওর্য়াক গড়ে তোলা, নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিআরটিএর সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, মানসম্মত সড়ক নির্মাণ ও মেরামত সুনিশ্চিত করা, নিয়মিত রোড সেইফটি অডিট করা এবং মেয়াদোর্ত্তীন গণপরিবহন ও দীর্ঘদিন যাবৎ ফিটনেসহীন যানবাহন স্ক্যাপ করার উদ্যোগ নেওয়া।

সারাবাংলা/জেআর/এনইউ

জুন টপ নিউজ মাংস যাত্রী কল্যাণ সমিতি

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর