Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6260
মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় ছিলেন— প্রধানমন্ত্রীকে রিজভী
Sunday 11 Oct 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় ছিলেন— প্রধানমন্ত্রীকে রিজভী

স্পেশাল করেসপন্ডেন্ট
১৫ জুলাই ২০২৪ ১৫:২৩

ঢাকা: প্রধানমন্ত্রীর প্রতি প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ৭১ সালের যুদ্ধের সময় আপনি কোথায় ছিলেন? ঢাকায় তো ছিলেন স্বামীকে নিয়ে। কই স্বামীকে তো মুক্তিযুদ্ধে পাঠাননি।

সোমবার (১৫ জুলাই) দুপুরে ঢাকা মহানগরর দক্ষিণ যুবদলের আহ্বায়ক খন্দকার এনামের পরিবারের খোঁজ-খবর নিতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

রিজভী বলেন, ‘খন্দকার এনামের স্ত্রীর মর্মস্পর্শী কথাগুলো হৃদয়ে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। এটি বিরোধী রাজনীতির সবার পরিবারের কথা। কারণ, এই পরিবারগুলো বেশি সাফার করছে।’

‘আমাদের পার্মানেন্ট ঠিকানা করে দেওয়া হয়েছে কারাগার। আমাদের প্রত্যেকের বসবাস হয় নদীর ধারে, না হয় বাঁশঝাড়ে, অথবা লাল দালানে। আমরা যতক্ষণ না আমাদের মা, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে না পারছি, গণতন্ত্র মুক্ত করতে পারছি, আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে আনতে পারছি ততক্ষণ আমাদের এভাবে কারাগারেই থাকতে হবে। এ রকম পরিস্থিতিতে আমাদের প্রেরণা দিচ্ছেন মায়েরা, স্ত্রী ও বোনেরা। তারা সব থেকে বেশি অনুপ্রাণিত করেছে।’

‘২০১৮ সালে রাগ করে কোটা সিস্টেম বাতিল করেছি’—প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের সমালোচনা করে রিজভী বলেন, ‘আপনি শপথ নেওয়ার সময় বলেছিলেন না, রাগ ও বিরাগের বশবর্তী হয়ে কোনো কাজ করবেন না? আপনি তো শপথ ভঙ্গ করছেন, সংবিধান ভঙ্গ করছেন প্রতিনিয়ত। প্রতি মুহূর্তে একের পর এক আইন ভাঙছেন। রাগের বশবর্তী হয়ে আপনি কোটা পদ্ধতি বাতিল করেছেন, প্রথমেই আপনি শপথ ভঙ্গ করেছেন। আপনি শপথ ও আইন ভঙ্গকারী প্রধানমন্ত্রী।’

বিজ্ঞাপন

`বর্তমানে কেউ তো ভোটে নির্বাচিত নয়, তাই তাদের কাছে শপথ ভঙ্গ করা বিষয় নয়, তাদের কাছে জোর করে ক্ষমতা ধরে রাখাই বিষয়’—বলেন রিজভী।

তিনি বলেন, “আজ কোটা সংস্কারের জন্য উত্তাল তরঙ্গ সৃষ্টি হয়েছে। এর কারণ প্রধানমন্ত্রী যৌক্তিক আন্দোলন পরিপন্থি কথা বলেছেন। কি বলেছেন, ‘যারা আন্দোলন করেছেন তারা নাকি রাজাকারের নাতি’। ১৮ সালে আপনি আন্দোলনরত ছাত্রদের সান্ত্বনা দিতে বাতিল করেছিলেন। মনে আক্রোশ পুষে রেখেছিলেন, সময়মতো সেটি কাজে লাগাবেন। তাই লাগিয়েছেন। আমি যদি ৩৪ বছর আগে ফিরে যেতে পারতাম। তাহলে এই। কোটা সংস্কার আন্দোলনে অংশ নিতাম।”

‘আইন আদালত সব তো প্রধানমন্ত্রীর আঁচলে বন্দি’— এমন মন্তব্য করে তিনি বলেন, ‘আদালতকে দিয়ে আপনি সব ইচ্ছা পূরণের কাজ করে যাচ্ছেন। আন্দোলনরত ছাত্র-ছাত্রীদের ওপর ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও পুলিশ বাহিনী লেলিয়ে দিয়েছেন। আপনি হয়ত ভাবছেন, সব পথ বন্ধ করে দিয়েছেন, কেউ আসবে না। মনে রাখতে হবে, বেহুলার বাসরঘরের কোথাও না কোথাও ছিদ্র থাকে। সেই ছিদ্র দিয়ে গণতন্ত্রকামী মানুষের ঢেউ আপনার সিংহাসন ভাসিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত।’

এনামের স্ত্রী নাজনীন আক্তার লতা বলেন, ‘আমরা সব সময় নিরাপত্তাহীনতা ভুগি। আমার দুটি বাচ্চার জন্মের সময় আমি আমার স্বামীকে কাছে পাইনি। এর চেয়ে কষ্ট আর কী হতে পারে? জন্মের পর সন্তানদের মুখ দেখতে পারেনি আমার স্বামী। বাবা বেঁচে থাকার পরও আমার সন্তানেরা এতিম।’

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপি নেতা ডা. মো. রফিকুল ইসলাম, মাহমুদুর রহমান সুমন, জয়দেব জয়, আরিফুর রহমান তুষার, তৌহিদুর রহমান আউয়াল, জাকির হোসেন, নাহিদুর রহমান নাহিদ, মহিউদ্দিন মহি, শাহ পরান, ডা. মুশফিক, মিরাজ হোসেন, আশরাফুল আসাদ প্রমুখ।

বিজ্ঞাপন

সারাবাংলা/এজেড/একে

আওয়ামী লীগ কোটা আন্দোলন টপ নিউজ বিএনপি রুহুল কবির রিজভী শেখ হাসিনা

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর