Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6170

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6170

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6170
গোপীবাগের আগুন, গোয়েন্দা ব্রিফিং ও অনেক প্রশ্নের উত্তর
Tuesday 28 Jul 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

গোপীবাগের আগুন, গোয়েন্দা ব্রিফিং ও অনেক প্রশ্নের উত্তর

পলাশ আহসান
৬ জানুয়ারি ২০২৪ ১৮:১০

ক’দিন ধরেই চারদিকে ফিসফাস… নির্বাচন হচ্ছে তো? চারদিকে ধুন্ধুমার প্রচার। নির্বাচনী সরকার এবং দলীয় নানা প্রস্তুতি। গণমাধ্যমগুলোর বেশিরভাগ খবর নির্বাচন কেন্দ্রিক।বিদেশি গণমাধ্যমেও ছেয়ে গেছে দেশ। তুবু কেন এই প্রশ্ন? ভেবে পাচ্ছিলাম না। নির্বাচন নিয়ে যেসব আমজনতা প্রশ্ন করছিলেন এই দোষ তাদের নয়। তারা আসলে গুজবে আক্রান্ত। যে কোন নির্বাচনের আগে যা হয় আর কী। গুজবের ডালপালা তো নানা ভাবে ছড়ায়। কিন্তু নির্বাচন বন্ধ করা নিয়ে কেন? নির্বা্চনের ঠিক আগের দিন গোপীবাগে ট্রেনে আগুন এবং দোষীদের গ্রেপ্তার এবং তাদের ষড়যন্ত্র ফাঁসের পর খানিকটা বোঝা গেলো এই গুজবটাও ছিল নির্বাচন বিরোধী পরিকল্পনার অংশ।

বিজ্ঞাপন

অন্য যে কোন ঘটনার মত নির্বাচন বিরোধীদের অনেকেই হয়তো মুখটিপে হেসে বলবেন, ‘কে করছে সবাই জানে’। যারা কোন যুক্তি শোনেন না, সেসব অন্ধদের জন্যে আমি অবশ্য লিখি না। যারা যুক্তি দিয়ে তর্ক করেন, যাদের চিন্তার সত্য যুক্তিতে বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে, আমার লেখা তাদের জন্যে। গোপীবাগের আগুন নিয়ে গোয়েন্দা পুলিশের দেয়া তথ্য নিয়ে যারা সন্দেহ করেতে চান তাদের জন্যেই এই লেখা।

ডিবির ব্রিফিংএ এসেছে, একটি ভিডিও কনফারেন্সে আগুনের ষড়যন্ত্র হয়। এই কনফারেন্সের ভার্টুয়াল রেফারেন্সও দেয়া হয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই জানেন, ভার্টুয়াল রেফারেন্স দিয়ে মিথ্যা বলা যায় না। কারণ কেউ চ্যালেঞ্জ করলে এর প্রমাণ হাতের কাছেই থাকার কথা। সেটা না দিতে পারলে সেই রেফারেন্স মিথ্যা হয়ে যায়।

এখানে ওই ভার্টুয়াল কনফারেন্সে যোগ দেয়া একজনকে তার মোবাইল ফোনটিসহ গ্রেপ্তারের কথা বলা হয়েছে। গ্রেপ্তার সেই যুবদল নেতা এরই মধ্যে আগুন দেয়ার কথা স্বীকার করেছে। প্রচলিত ধারা অনুযায়ী যদি বলা্ও হয় যে গোয়েন্দারা চাপ দিয়ে তার স্বীকারোক্তি আদায় করেছে, সেই যুক্তিও টিকেবে না। কারণ উদ্ধার হওয়া তার ফোনটিও এই ভার্টুয়াল কনফারেন্সের অকাট্য প্রমাণ হিসাবে দাঁড়িয়ে আছে। চাপ দিয়ে মানুষকে মিখ্যা বলানো গেলেও যন্ত্রকে কী বলানো যাবে?

ওই ব্রিফিংএ কিছু চিহ্নিত বোমাবাজের কথা বলা হয়েছে। যাদের একসঙ্গে জেল খাটার কথা বলা হয়েছে। যে জেল খাটুক তার নামধামসহ বিস্তারিত কারা কর্তৃপক্ষের কাছে থাকার কথা। সুতরাং সেখানেও সত্য লুকাতে না পারার আরেকটি নিশ্চিত সম্ভাবনা তৈরি হয়ে আছে।

চারদিকে গিজগিজ করছে বিদেশি সাংবাদিক। যে কেউ যখন তখন ওই ষড়যন্ত্রের ভিডিও রেফারেন্স চাইতে পারে। তাদের কাছে ফেক ভিডিও ধরার নানা্ টুলস থাকার কথা। সুতরাং এই ঝুঁকি গোয়েন্দা সংস্থার মত কোন প্রতিষ্ঠান নেবে কী? ব্রিফিংএ কিছু লোকের কথা বলা হয়েছে কিন্তু নাম প্রকাশ হয়নি। সেই নামগুলো প্রকাশ হলে নিশ্চয়ই আরও যুক্তি পাওয়া যাবে।

বিজ্ঞাপন

যদিও গোয়েন্দা পুলিশের এই ব্রিফিংএর আগেই, বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘কর্তৃত্ববাদী দেশের মতো নির্বাচন আয়োজন করতে সরকার একের পর এক ষড়যন্ত্র করছে, আর দায় চাপাচ্ছে বিরোধী দলের ওপর। তাদের লক্ষ্যই হচ্ছে বিরোধী দলকে নিধন করে ক্ষমতায় টিকে থাকা। এই ট্রেনে আগুন দেয়া সেই ষড়যন্ত্রেরই অংশ। পুরোটাই মুখস্ত বুলি। যাই ঘটুক তিনি একথাই বলতেন। আমি জানি তার মত আরও অনেকেই একই রকম ভাবছেন, ভেবেছেন এবং আগামীতেও ভাববেন।

গোপীবাগের এই আগুনের পর আমার মনে হয় নির্বাচনে বাধা দেয়ার জন্যে নাশকতা করছে নির্বাচন বিরোধীরা। নিশ্চিত করে এমন আপ্তবাক্য বলার বিকল্প নেই। যারা ট্রেনে আগুন দিল, ২৮ অক্টোবর থেকে মোট ৩২১টি অগ্নিসংযোগের দায় তাদের। দেশের মানুষ দেখেছে কীভাবে একজন পুলিশ প্রকাশ্যে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। সুতারাং

নির্বাচন বিরোধী যেকোন সহিংসতার তার দায় বার বার প্রমাণিত। দুই ট্রেনে ৮জনকে পুড়িয়ে হত্যাসহ এবারের ১১টি হত্যার দায়ও তাদের ওপরই বর্তাচ্ছে।

লেখক: গণমাধ্যমকর্মী

সারাবাংলা/এসবিডিই

গোপীবাগের আগুন - গোয়েন্দা ব্রিফিং ও অনেক প্রশ্নের উত্তর পলাশ আহসান মুক্তমত

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর