Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6170

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6170

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6170
ঘুঘুহত্যা বন্ধে প্রাণীহত্যা আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই
Tuesday 28 Jul 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

ঘুঘুহত্যা বন্ধে প্রাণীহত্যা আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই

তৌহিদ-উল বারী
১৫ জানুয়ারি ২০২৪ ১৫:৩৪

ছায়াঘেরা সকাল ও বিকালে খাবার খুঁজে বেড়ানো পাখিটির দিনের বাকিটা সময় কাটে গাছের ডালেই বসে। খুব দ্রুতগামী উড়তে পারা এই পাখিটার নাম ঘুঘু। ঘুঘু গ্রামাঞ্চলে খুব বেশি পরিচিত একটি পাখির নাম। কেই বা না জানে এই পাখির নাম। মানুষের চোখের সামনে এদিক থেকে ওদিক দাপিয়ে বেড়ানো পাখিটি আজ ভালো নেই, আজ তারা যেন শিকারীর হাতে শিকারের এক লক্ষবস্তু। খাবারের থালায় মচমচা খাবারের তালিকায়।

বাংলাদেশের অতি পরিচিত পায়রা জাতের একটি পাখি ঘুঘু। এটি কলাম্বিডি পরিবারের স্ট্রেপ্টোপেলিয়া গণের অন্তর্গত। গ্রামাঞ্চলেই এদের বেশি দেখা যায়। বাংলাদেশ, ভারত ছাড়াও দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার বিভিন্ন দেশে এদের আবাস। এরা নিচু ঝোপঝাড়ে বাসা তৈরি করে । গ্রীষ্মকালে পুরুষ ও স্ত্রী ঘুঘু উভয়ে মিলে বাসা বাঁধে। পরে প্রজননের জন্য এপ্রিল থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সময়টাকে কাজে লাগাই।

বিজ্ঞাপন

যদিও শষ্যদানা এদের পছন্দের খাবার। পাশাপাশি এরা নানা রকম ফল, বীজ ও গাছের কচিকুঁড়ি, পিঁপড়া ও কীটপতঙ্গ খেয়ে বেঁচে থাকে। কিন্তু দুঃখের বিষয় হচ্ছে, আজ তাদের জীবন খুব দুর্বিষহের পথে। এমনি দেশ থেকে প্রায় এই পাখিটি বিলুপ্তির দিকে।

তারমধ্যে এক কুচক্রী মহল এই পাখিটিকে শিকার করছে নির্বিচারে। যার পরিমাণ এতই বেড়ে গেছে যে, তা বলাবাহুল্য। এভাবে যদি চলতে থাকে তাহলে ঘুঘু পাখির মতো অতিপরিচিত পাখিটিও সম্পূর্ণ বিলুপ্ত হয়ে যাবে। তা হয়তো প্রকৃতিপ্রিয় আবাস না পেয়ে নতুবা নিজেদের প্রাণ বাঁচানোর তাগিদে।

আমাদের বিবেক কবে যে জাগ্রত হবে? আমরা কবে যে প্রকৃতিপ্রেমী হয়ে উঠবো, কবে যে বন্যপ্রাণী কিংবা পশুপাখিদের প্রতি সদয় হবো! হয়তো তা না হওয়ার কারণও রয়েছে। বাস্তবিক ক্ষেত্রে এসব কিছুর শাস্তির বিধান থাকলেও তার আইনি কোনো প্রয়োগ নেই।

বিজ্ঞাপন

কেননা, ২০১২ সালের বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা আইনে বলা হয়েছে, পাখি নিধনের সর্বোচ্চ শাস্তি এক বছর জেল ও এক লাখ টাকা অর্থদণ্ড। একই অপরাধের পুনরাবৃত্তি হলে অপরাধীর দুই বছরের জেল, দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে। কিন্তু বাস্তবে এ আইনের কোনো প্রয়োগ দেখা যায় না। এ আইনের প্রয়োগ হোক। পশুপাখি বাঁচুক, বাঁচুক প্রকৃতি। মুক্ত আকাশে ডানা মেলে উড়ুক ঘুঘু পাখির মতো পাখিরাও!

লেখক:শিক্ষার্থী

সারাবাংলা/এসবিডিই

ঘুঘুহত্যা বন্ধে প্রাণীহত্যা আইনের যথাযথ প্রয়োগ চাই তৌহিদ-উল বারী মুক্তমত

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর