Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the all-in-one-seo-pack domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the cps domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131

Notice: Function _load_textdomain_just_in_time was called incorrectly. Translation loading for the sarabangla4 domain was triggered too early. This is usually an indicator for some code in the plugin or theme running too early. Translations should be loaded at the init action or later. Please see Debugging in WordPress for more information. (This message was added in version 6.7.0.) in /home/devsarabangla/public_html/wp-includes/functions.php on line 6131
শিক্ষক সমিতির বাধার মুখে কুবির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত
Sunday 03 May 2026
Sarabangla | Breaking News | Sports | Entertainment

শিক্ষক সমিতির বাধার মুখে কুবির নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত

কুবি করেসপন্ডেন্ট
৬ মার্চ ২০২৪ ২৩:১১

কুমিল্লা: বোর্ডের দুই সদস্য উপস্থিত না থাকায় ও প্রশ্নপত্র প্রণয়নে অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষক সমিতির বাধার মুখে ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। শিক্ষক নেতাদের দাবি, নির্দিষ্ট প্রার্থীকে নিয়োগ পাইয়ে দিতে এগুলোর পাশাপাশি নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা পর পরীক্ষার আয়োজন করা হয়েছিল। সেজন্য আমরা বাধা দিয়েছি।

জানা গেছে, পরীক্ষা নেওয়ার আগে উপাচার্যের কক্ষে শিক্ষক-কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে উপাচার্য নিজে প্রশ্নপত্র টাইপ করেন। পরে প্রশ্নপত্র সিলগালা না করে কর্মচারীকে দিয়ে পরীক্ষার হলে প্রশ্নপত্র পাঠান। কিন্তু শিক্ষক সমিতির বাধার মুখে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

বিজ্ঞাপন

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক নিয়োগ বোর্ড সকাল সাড়ে ১০টায় বসার কথা ছিল। যেখানে যাচাই-বাছাই করে ৩৫ জন‌ পরীক্ষার্থীকে ডাকা হয়। তবে সেখানে উপস্থিত ছিলেন না নিয়োগ বোর্ডের সদস্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মকছেদুর রহমান ও ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদের প্রধান অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন। পরে সাড়ে দুপুর ১২টার দিকে উপাচার্য পরীক্ষা নেওয়ার চেষ্টা করলে শিক্ষকদের বাধায় সেটি সম্ভব হয়নি।

নিয়োগ বোর্ডে না আসার বিষয়ে ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ড. শেখ মখছেদুর রহমান কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। কিন্তু ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন সরকার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যে কয়জন অধ্যাপক ১ম ও ২য় গ্রেডে আবেদন করেছেন তাদের পদোন্নতি না দেওয়া এবং ব্যবস্থাপনা শিক্ষা বিভাগে জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘন করে যে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে তার সমাধান না করে শিক্ষক নিয়োগের আয়োজন করা হয়েছে।’

বিজ্ঞাপন

তিনি বলেন, ‘একজন ডিন হিসেবে এসব আমার দায়িত্বের মধ্যে পড়ে। এসবের প্রতিবাদ জানিয়ে আমি বোর্ডে যাইনি। এছাড়া আমি জানতে পেরেছি, কিছু অছাত্র বোর্ড শুরু হওয়ার আগে উপাচার্যের দফতরে অবস্থান নিয়েছে। যারা গত ১৯ ফেব্রুয়ারি শিক্ষকদের ওপর হামলা করেছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে আমি সেখানে যাইনি।’

এদিকে, সরেজমিনে দেখা যায়, নিয়োগ পরীক্ষা নিতে গেলে শিক্ষক নেতারা উপাচার্যের বিভিন্ন ‘অনিয়ম’ তুলে ধরেন এবং নিয়োগসংক্রান্ত বিভিন্ন অনিয়ম সুরাহার দাবি জানান। শিক্ষক নেতারা বলেন, উপাচার্য তার নিজের এলাকার প্রার্থীকে নিয়োগ দিতে আগে থেকেই প্রশ্নপত্র পাঠিয়ে দিয়েছেন। নতুন শিক্ষক নিয়োগের অবশ্যই দরকার আছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশনের (ইউজিসি) যে অভিন্ন নীতিমালা রয়েছে সেখানে বলা হয়েছে, স্বীয় প্রতিষ্ঠানের কর্মরত শিক্ষকদের পদোন্নতির ক্ষেত্রে প্রয়োজনে নিয়োগের শর্ত শিথিল করা যাবে।

তারা আরও বলেন, বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন সে নিয়মকে তোয়াক্কা না করে নিজেদের মতো অবৈধ শর্ত দিয়ে নিয়োগ দেওয়ার চেষ্টা করছেন। আমাদের দাবি, সব অবৈধ পদোন্নতি ও নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি বন্ধ না করা পর্যন্ত আমরা কোনো নতুন নিয়োগ দিতে দেবো না।

এ বিষয়ে শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘একটি নিয়োগ পরীক্ষার প্রসেসিং যেমন হওয়া উচিত তেমনটা হয়নি। এমন গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষার প্রশ্নের সিকিউরিটি নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। সিলগালাবিহীনভাবে কর্মচারীর কাছে ১০ মিনিট প্রশ্ন ছিল। কাজেই এই নিয়োগ সার্কুলার অবৈধ এবং সার্কুলারে অসঙ্গতি রয়েছে। আমি উপাচার্য মহোদয়কে অনুরোধ করেছি আপনি পরীক্ষা স্থগিত রাখেন। কিন্তু তিনি জোর করে নিয়োগ পরীক্ষা নেওয়ার প্রচেষ্টা চালিয়েছেন। যা কখনোই কাম্য নয়।’

এর আগে, গত ৫ মার্চ নিয়োগ নীতিমালা বহির্ভূত অবৈধ ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত বিজ্ঞপ্তি বাতিল, নতুন নিয়োগ বন্ধ, বর্তমান উপাচার্যের আমলে নিয়োগ, পদোন্নতি ও স্থায়ীকরণে যত অনিয়ম, দুর্নীতি ও বৈষম্য হয়েছে সেগুলোর নিষ্পত্তির পর নীতিমালা অনুসরণ করে পুনঃবিজ্ঞপ্তি প্রকাশের মাধ্যমে যথাযথভাবে নিয়োগ প্রক্রিয়া চালুর দাবি জানায় শিক্ষক সমিতি।

এদিকে, নির্দিষ্ট প্রার্থীকে (আব্দুর রাজ্জাক ও জান্নাতুন নেছা) নিয়োগ দেওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মঈন বলেন, ‘আমি তাদের চিনিও না। যারা অভিযোগ করেছে, সে অভিযোগের যদি কোনো প্রমাণ থাকে আমাকে দাও।’

তিনি আরও বলেন, ‘বিভাগীয় প্রধান ও ডিনের অনুপস্থিতিতে পরীক্ষা চলতে পারে। ডিন ও চেয়ারম্যান ছাড়া বাকি সবাই ছিল। ডিন ও চেয়ারম্যান দায়িত্বশীল জায়গায় আছেন। কিন্তু ওনারা কেন আসেন নাই তা জানি না। শিক্ষক সমিতি কতগুলো অন্যায্য দাবি নিয়ে আসছে। সেগুলোর সঙ্গে এই নিয়োগ পরীক্ষার কোনো সম্পৃক্ততা নাই। তাই তাদের বাধার মুখে পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

সারাবাংলা/পিটিএম

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় টপ নিউজ শিক্ষক নিয়োগ স্থগিত

বিজ্ঞাপন
সর্বশেষ

ইউনিয়ন পরিষদ বাতিলের আহ্বান বিএনপির
২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ২২:৪৫

সম্পর্কিত খবর